বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি,স্বাস্থ্য বিভাগসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।  একেএম আব্দুল আউয়ালের শোকজ প্রত্যাহার না করলে মানববন্ধনের ঘোষনা  পটুয়াখালী হাসপাতালে দালালচক্রের উৎপাত: রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার অভিযোগ টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতা অভিযান  লৌহজংয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি, চিশতিয়া বেকারিকে জরিমানা বিমান-বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১ উড়োজাহাজ সংগ্রহে সম্পূরক চুক্তি মাদককে না বলি, মাঠে চল ফুটবল খেলি কিচকে বর্ণাঢ্য টুর্নামেন্ট গাজীপুরের ধীরাশ্রমে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩ রূপসায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম,এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে “A+ সংবর্ধনা 2026 প্রদান”।  কালিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭

পটুয়াখালী হাসপাতালে দালালচক্রের উৎপাত: রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃগোলাম রাব্বী,স্টাফ রিপোর্টার:- পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল ঘিরে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের নানা কৌশলে বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি চিকিৎসাসেবার প্রতি রোগীদের আস্থা কমছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের চাপে পড়ছেন অসহায় রোগী ও তাঁদের স্বজনরা।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের আশপাশে সক্রিয় একটি চক্র রোগী ও স্বজনদের গতিবিধির ওপর নজর রাখে। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাউন্টারের আশপাশে অবস্থান নিয়ে তাঁরা রোগীদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। পরে বিভিন্ন প্রলোভন, ভুল তথ্য কিংবা উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক সময় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বলা হয়, বাইরে পরীক্ষা করালে দ্রুত রিপোর্ট পাওয়া যাবে কিংবা সেখানে চিকিৎসা ভালো হবে। এতে অসচ্ছল রোগীরাও বাধ্য হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হন। ফলে চিকিৎসার পেছনে তাঁদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হয়।

দালালদের দৌরাত্ম্যে প্রশ্নের মুখে সরকারি চিকিৎসাসেবা

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালচক্রের তৎপরতা নতুন কোনো ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের আশপাশে এ ধরনের তৎপরতা চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বিশেষ করে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় রোগী ও তাঁদের স্বজনরা দালালদের সহজ টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই দালালদের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি হাসপাতালের সেবা নিতে আসা রোগীদের হয়রানি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর অভিযোগ তদন্ত করে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে হাসপাতাল এলাকায় বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ নিয়ন্ত্রণ, রোগীদের সঠিক তথ্য সরবরাহ এবং অভিযোগের ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

রোগী ও স্বজনদের হয়রানি বন্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, দালালদের সঙ্গে কোনো অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগসাজশ থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews