
বুলবুল হাসান, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদের ইমামের বাইসাইকেল চুরির ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও চোরকে বাঁচানোর চেষ্টার অভিযোগ ইউপি সদস্য সাহেব আলী ও আ.লীগ নেতা শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সাহেব আলী উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও শিহাব উদ্দিন একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অষ্টমনিষা উইনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আ. লীগের সভাপতি ঐ গ্রামের গ্রাম্য প্রধান মোঃ শাহা জামাল। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৪জানুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলা অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বড় বিশাকোল বাজার মসজিদের ইমাম মসজিদের বাহিরে তার বাইসাইকেল রেখে ফজরের নামাজের আযান দেওয়ার জন্য মসজিদের ভিতর প্রবেশ করেন। নামাজ শেষে বাহিরে এসে দেখেন তার বাইসাইকেলটি যথা স্থানে নেই। তাৎক্ষনিক মসজিদের মাইক দিয়ে মাইকিং করে এলাকাবাসীদের জানিয়ে দেয় তার বাইসাইকেলটি মসজিদের দরজার সামনে থেকে হারিয়ে গেছে। এ সময় গ্রামবাসী মিলে অনেক খোজা খুঁজির পর জানতে পারে বড় বিশাকোল গ্রামের ইয়াসিন আলী ছেলে ইমন আলী বাইসাইকেলটি চুরি করেছে। ইমনকে ধরার পর সে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে জানায় ওই গ্রামের মৃত এমদাদ হোসেনের ছেলে শিহাব উদ্দিনের সহযোগীতায় সাইকেলটি সে চুরি করেছে। বিষয়টা এলাকায় জানাজানি হলে শিহাব উদ্দিন ও ইমন আলী বাইসাইকেলটি বিক্রি না করে রাতের আধারে ঐ গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য সাহেব আলীর নিকট জমা দেয় এবং ইউপি সদস্য সাহেব আলী চোর চক্রের কাছ থেকে অংকের টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ইমাম সাহেবকে বাইসাইকেলটি ফেরত দিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় ভীতি দেখায়।
আ. লীগ নেতা শিহাব উদ্দীন বলেন, আমি এলাকার একজন প্রধান ও ওয়ার্ড আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক তাই ছোটখাটো দুই একটা সালিশ করি। তবে এ ঘটনায় আমি জড়িত নই। তবে আমাকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষরা অভিযোগ দিয়েছে।
ইউপি সদস্য সাহেব আলী অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, আমাকে ফাঁসানোর জন্য গ্রামের একটি পক্ষ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল হক বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।