
রিপোর্টার: সোহেল রানা
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো স্বাভাবিক হয়নি কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে প্রতিনিয়ত ক্ষতির মুখে পড়ছেন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা।
২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর কার্গো ভিলেজ এলাকায় আগুন লেগে মুহূর্তেই পুড়ে যায় কয়েকশ কোটি টাকার আমদানিকৃত মালামাল। এতে বহু ব্যবসায়ী পথে বসে যান। ঘটনার এতদিন পরও আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
কাস্টমস সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস ও ভুক্তভোগীরা জানান, এখনো কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থায় রয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। বিমানের মাঠে সঠিক সেটআপ, পর্যাপ্ত ওয়ারহাউস, কার্যকর স্ক্যানিং মেশিন কিংবা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রিজিং ব্যবস্থা নেই। অথচ এসব সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত চার্জ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এজেন্টরা ।
এজেন্টদের দাবি, সামান্য বৃষ্টিতেই উন্মুক্ত স্থানে রাখা মালামাল ভিজে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন আমদানি কারোকেরা । অনেক ক্ষেত্রে পণ্য ডেলিভারিতে বিলম্ব হওয়ায় ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।
বিমানবন্দরে যেদিন বৃষ্টি নামে সেদিনই শুরু হয় মূল্যবান শিপমেন্ট বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ
তড়িঘড়ি করে ত্রিপুল টানেন ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টরা। বিদেশ থেকে আমদানি করা ইলেকট্রনিক্স আইটেম গার্মেন্টস পন্য, কমার্শিয়াল আইটেম, মোবাইল ফোন এক্সেসরিজ কোটি কোটি টাকা যন্ত্রসৎ সহ পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে একটু বৃষ্টি হলেই ভিজে যাচ্ছে আমদানিকৃত মালামাল এই দৃশ্য বর্তমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কার্গো কমপ্লেক্সে । কার্যক্রম এবং অপ্রয়োজনীয় সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় মেঘ বৃষ্টির মধ্যেই পড়ে থাকে আমদানিকৃত পণ্য। এতে প্রতিনিয়ত ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা তাদের অভিযোগ একাধিকবার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং অতিরিক্ত চার্জ বন্ধের দাবি বিমানে মাঠে শেড কিংবা পুরানো বিল্ডিং দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এসব ব্যাপারে বিমান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সরকারের কোন অগ্রগতি দৃশ্যমান নাই দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছেন সি এন্ড এফ এজেন্টস ব্যবসায়ীরা ।