
সাইদ গাজী, সালথা,ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথা আজ মঙ্গলবার
(২ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১১ ঘটিকায় স্থান ফুলবাড়ীয়ায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে লিখে দেওয়া হয় যে জমিটি বায়না সূত্রে এই জমির মালিক হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম ।
সালথা উপজেলাধীন সোনাপুর ইউনিয়নের সাং রায়েরচর নিবাসী হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম পিং মৃতঃ ডাঃ হাতেম আলী,যাতা -মৃতঃ পান্নু বেগম তিনি জানান গত ২৬/৯/২০১৯ ইং তারিখে ফুলবাড়ীয়া নিবাসী অশোক কুমার সিকদার পিং মৃতঃ অধীর কুমার সিকদার, সাং ফুলবাড়ীয়া, উপজেলা সালথা, ফরিদপুর।
৫৮ নং ফুলবাড়ীয়া যৌজার ১৬৭৩ নং দাগে অত্র সম্পত্তি বায়নাকৃত বটে উক্ত জমির মধ্য হইতে ৪৫ শতাংশ জমি(ঘরবাড়ী সহ) যার মোট মূল্য ২২.০০,০০০/= বাইশ লক্ষ টাকায় সাফ বিক্রয় করিয়া তন্মদ্ধে নগদ ১.০০০০০০/= এক লক্ষ আমার কাছ থেকে নিয়ে বায়না পত্র দলিল দেন।
তারপর কিছুদনি পরে অশোক কুমার সিকদার পিং মৃতঃ অধীর কুমার সিকদার তিনি মারা যান যার পুত্রদ্বয় নাবালক থাকায় ও তার স্ত্রী আমাকে দলিল করে দিতে তাদের সমস্যা হয়।
আমি আমার বায়নাকৃত জমি দ্রুত দলিল করে নিতে চাইলে গীতারাণী ও তার পুত্রদ্বয় আজকাল করতে করতে এতো বছর চলো গেলো উল্লেখ্য অশোক কুমার সিকদার পিং মৃতঃ অধীর কুমার সিকদার তিনি মারা যাওয়ার কিছুদিন পরই ভারত চলে
যায়।
সম্পত্তির তফসিল
বি. এস ২৫ (পঁচিশ) নং ৰতিষ্ঠান জমি।
এখন তারা বলতেছে যে ভারতে ভিসা জটিলতার কারনে তারা দেশে আসতে পারছেনা তাই আমি আমার বায়নাকৃত জমিতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলাম যাতে অন্য কেহ এই ক্রয় করতে না পারে।
অশোক কুমার সিকদার এর পাশের শরিক সমির সিকদার পিং মৃত সুবোত শিকদার তিনি জানান হা আমি জানি হাফেজ আব্দুল কাইয়ুম দাদার সাথে এই জমির বায়না পত্র দলিল হয়েছে।৷ কিন্তু ছেলেরা ছোট থাকায় দলিল হয় নাই ।
মৃতঃ অশোক কুমার সিকদার এর পুত্রদ্বয় ভারত থাকার কারনে তাদের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার সন্তানদের Whatsapp নাম্বার (০১৭২৯৯৩৫৭২৭)।