বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লৌহজংয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান ।। মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ ও অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম তৈরির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী জামিনে এসে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঢাকা-চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দার টানা অভিযান: সিগারেট, মোবাইল-এলসিডি, মাদারবোর্ড, মদ ও স্বর্ণসহ প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য জব্দ বায়না সূত্রে জমিতে সাইনবোর্ড লাগিয়ে জমির মালিকানা দাবি। মাদারীপুরে ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে  আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আরো বেপরোয়া মাহাবুব ও হারমালা, প্রাণনাশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার গত ১৭ বছর বেশি দুর্নীতি হয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে: শামা ওবায়েদ  পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  নড়াইল ও লোহাগড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শাহজালালে থার্ড টার্মিনালের ওপর থেকে পিকআপ পড়ে বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত, আহত ৪

মাদারীপুরে ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে  আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আরো বেপরোয়া মাহাবুব ও হারমালা, প্রাণনাশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

 

‎মাসুদ হোসেন খান :

‎আসামিরা এলাকায় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় মাদারীপুরে এক অসহায় পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা নেয়নি পুলিশ, দীর্ঘ দিনেও কোনো গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়নি। জীবনের ভয়ে পালিয়ে এমনকি ঘটনার পর  থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও রহস্যজনক কারণে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি মাদারীপুর সদর মডেল থানা পুলিশ। ফলে ঘটনার মূল হোতা মোঃ মাহাবুব বেপারী ও মোসাঃ হারমা বেগমসহ ৮ জন নামধারী সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে।

‎ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার সৈয়দারবালী গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে খায়রুল আলম (৪০) বিবাদী মোসাঃ হারমালা বেগম, মোঃ মাহাবুব বেপারী, দিপু বেপারী, আরাফত বেপারীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের পর দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।ভুক্তভোগী খায়রুল আলম জানান, “পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় মাহাবুব বেপারী, হারমালা বেগম, দিপু ও আরাফত এখন এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা লোক মারফত এবং সরাসরি আমাকে হুমকি দিচ্ছে যে—থানায় গিয়ে আমার কোনো লাভ হয়নি, পুলিশ তাদের কিছুই করতে পারবে না। উল্টো অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে আমাকে ও আমার সাক্ষীদের বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিচ্ছে।”ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার সাক্ষী শফিকুল ইসলাম ও সরজিৎ বিশ্বাস জানান, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় এবং ভুক্তভোগীকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়ায় পুরো এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

‎এ বিষয়ে জানতে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। আসামিরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎এই বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাবুব বেপারীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে পরে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমান দেখানোর কথা বলে সময়ক্ষেপণ করেন এবং ২ দিন পর প্রতিবেদককে কল করে এর পাল্টা জবাব দেয়ার জন্য বলেন।

‎মাদারীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সৈদারবালী ( আজাম কান্দি)  এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভোগী পরিবার অবিলম্বে আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews