
গত ২৩ জুলাই দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকার প্রথম পাতায় ” কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাকির অভিযোগ ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় উল্লেখিত সংবাদটির বিষয়ে যৌথভাবে প্রতিবাদ করেছেন সাব রেজিস্টার ইমরুল খোরশেদ অফিসের নকল নবিস মো: ফারুক ও মেহেদী হাসান এক যৌথ বিবৃতিতে তারা প্রকাশিত সংবাদ টিকে সম্পুর্ন ভুয়া, বানোয়াট ও একটি বিশেষ মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ। প্রকাশিত সংবাদে যা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট অফিসের সাব রেজিস্টারের সাথে কোন যোগাযোগ না করেই বলা হয়েছে মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে উদোরপিন্ডি ভোদর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা করা হয়েছে যা সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলেও তারা মন্তব্য করেছেন। যে দলিল নিয়ে এই সংবাদের সুচনা করা হয়েছে বা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে বলে আগাম জানান দেয়া হয়েছে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ যা বলেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো।
অত্র কার্যালয়ে নিবন্ধিত ২০২৫ সনের ২৩০৪ নং বায়না দলিলের মূল্য হইতে কম মূল্য উল্লেখ করে ২০২৫ সনের ৮১৩৫ নং সাফ কবলা দলিল করা হয়েছে মর্মে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়। অত্র কার্যালয়ের রেকর্ড দৃষ্টে দেখা যায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সঠিক মূল্য উল্লেখ করে রাজস্ব আদায় পূর্বক দলিল খানা নিবন্ধন করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখকৃত ২০২৪ সনের ৩১৯৭৯ নং দলিল উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু রেকর্ড দৃষ্টে দেখা যায় অত্র কার্যালয়ে ২০২৪ সনে নিবন্ধিত সর্বশেষ দলিল সংখ্যা-১৩৩০৬টি। প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়।
পক্ষান্তরে, আরো প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায় ২০২৫ সনের ১৯২১ নং পাওয়ার অব এটর্নি দলিলটির প্রিন্সিপাল অঞ্জন সেনগুপ্ত ও সঞ্জয় সেনগুপ্ত এটর্নি বরাবর নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে এবং এটর্নি কর্তৃক বিরোধ নিষ্পত্তি জবাব না পাওয়ায় নিবন্ধন আইন ও বিধিমালা, পাওয়ার অব এটর্নি আইন ও বিধিমালা এবং ২০১৭ সনের মহা-পরিদর্শক, নিবন্ধন কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্র অনুসরণপূর্বক পাওয়ার অব এটর্নি রহিতকরন দলিল টি নিবন্ধন করা হয়েছে। উক্ত ১৯২১ নং পাওয়ার অব এটর্নি দলিলের ব্যাপারে প্রকাশিত সংবাদে যে তিন জন মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেছেন তারা পাওয়ার অব এটর্নি দলিলের নিযুক্তীয় কোন পক্ষ নন।
অত্র কার্যালয় পরিচালিত সময়ে কিছু অসাধুচক্রের বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে বিধায় তারা সহ কতিপয় অসৎ স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদ্বয় বিভিন্ন সময় কর্মচারীদের শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেছে যার ভিডিও ফুটেজ সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় উক্ত চক্র অত্র কার্যালয়ের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রদান করে আমার ও অত্র কার্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করতে চাচ্ছে।
তথ্যগুলো সম্পূর্ন ভিত্তিহীন। এমতাবস্থায় উক্ত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আন্তরিক সহযোগিতা সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়, কেরাণীগঞ্জ দক্ষিণ, ঢাকা।