
ওসমান গনি
স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জে গজারিয়া উপজেলা হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে পড়ে ছিল গৃহবধূর নিথর দেহ,এই দিকে এই মৃত্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল।
গজারিয়া উপজেলা বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর তেতৈতলাস্থ হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের সামনে এই দৃশ্য চোখে পড়ে।সেখানে ছিল না নিহতের স্বামী কিংবা শ্বশুর বাড়ির কোন লোকজন।
জানা যায় নিহত ঐ নারীর নাম ঝর্না আক্তার((২২), সে তেতৈতলা গ্রামের সুজন দেওয়ান এর স্ত্রী ও পাশ্ববর্তী না:জেলার সোনারগাঁও উপজেলার চান্দেরকৃত্তি গ্রামের মৃত আ:সাত্তার এর মেয়ে।বাবা মা হীন ঝর্ণার দুই বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় সুজনের সাথে।কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল।
উকিল বাবা রিপন ভূঁইয়া বলেন,বিকাল ৫টা থেকে রুমের দরজা বন্ধ করে আছে এই খবর পেয়ে সুজনদের বাড়িতে যাই,অনেক ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে,গ্রান্ডিং মেশিন লোহার পাতের দরজা কেঁটে তাঁকে বাহির করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।
এক মাত্র বোন তাসলিমা আক্তার বলেন,আমার বোন এর সাথে বিচ্ছেদ এর জন্য সুজন একাধিক বার সামাজিক ভাবে সালিশে বসেছিল কিন্তু ঝর্ণা ওর সাথে সংসার করতে চেয়েছিল,মঙ্গলবার বিকালে এই বিষষে চূড়ান্ত ভাবে বসার কথা ছিল আমরা এক আত্নীয়ের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলাম কিন্তু সুজন আসছিল না এই সময় খবর পাই বোন আত্নহত্যা করে,এটা ওদের পরিকল্পিত,আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার বোন হত্যার বিচার চাই।
এ বিষয়ে হামদর্দ জেনারেল হাসপাতাল এর দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক ডা:আফরাহাম হোসেন (ফাহিম)বলেন,আমাদের হাসপাতালে রাত ১০টার দিকে নিয়ে আসে,পূর্বেই মৃত্যু ছিল।
বিষয়টা নিয়ে স্বামী সুজন দেওয়ানের মতামত জানতে তাদের বাড়িতে গেলে ঘর তালাবদ্ধ দেখা যায় ও ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নাই।
বিষয়টা নিয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো:হাসান আলী বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি,লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে,আইন ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।