মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিহাতীর তল্লাই বিলে অভিযান, ১৩শ মিটার চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় ‘সেতু’ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি ‎ হাসপাতালের দালাল হাসানের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ সাধারণ রোগী এবং এলাকাবাসী সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন। বিতর্কের মুখে দায়িত্ব ছাড়লেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান।  টঙ্গীতে অভিযান;বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নগদ অর্থ, মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার- ৩ গাজীপুর সদর মেট্রো থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কালিহাতীর কৃতী সন্তান মনিরুজ্জামান মিঞা ঢাকা বিভাগের নতুন বিভাগীয় কমিশনার যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ শিক্ষাই জাতির সবচেয়ে বড় শক্তি।ফজলুল হক মিলন রূপসায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু।

টঙ্গীতে অভিযান;বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নগদ অর্থ, মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার- ৩

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

 

 

মো. হাইউল উদ্দিন খান,গাজীপুর প্রতিনিধি

 

গাজীপুরের টঙ্গীতে কথিত মাদক সম্রাজ্ঞী আরেফিনা বেগমের নিয়ন্ত্রণাধীন মাদক আস্তানায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, নগদ অর্থ ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করেছে।

 

ওই সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

পুলিশ বলছে, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস ব্যবসার আড়ালে পরিচালিত হয়ে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের কার্যক্রম।

 

রোববার (২৯ব্জুন) রাতে টঙ্গীর ব্যাংকের মাঠ মাদক বস্তি, গোপালপুর ও আরেফিনার নিয়ন্ত্রণাধীন একাধিক স্থাপনায় একযোগে অভিযান চালানো হয়।

 

জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৬৬ বোতল ফেনসিডিল, ১১ পুঁড়িয়া গাঁজা, চার লিটার চোলাই মদ, মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৪৬টি মোবাইল ফোন ও মাদক বিক্রির ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশের দাবি, টঙ্গীর ব্যাংকের মাঠ এলাকায় সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদক বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিলেন আরেফিনা।

 

মাদকের অর্থে নির্মিত তার ছয়তলা ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

 

অভিযানের সময় আরেফিনার ভবনের এক ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের তথ্যও পাওয়া যায়। পুলিশের ভাষ্য, মাদক কারবার ও সেবনের জন্য ওই ভবন ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

 

পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে আরেফিনার মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। এ কারণে এলাকাবাসীর অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি।

 

জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের ওসি সৈয়দ মিজানুর ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। মাদক কারবারি, মাদকসেবী কিংবা তাদের গডফাদার,কেউ আইনের বাইরে থাকবে না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews