রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তানোর এর অন্যতম চৌবাড়িয়া হাটের প্রবেশ মুখের রাস্তা এখন মরণ ফাঁদ! কুমিল্লার গোমতী হাসপাতালে ও ডা: শাহিদা আক্তার রাখীর চিকিৎসা সেবার নামে অরাজকতার অভিযোগ। মহানগরের পূবাইল–জয়দেবপুর সড়কের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান,শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত ৫ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নকাজ। চাটমোহর প্রেসক্লাবের কমিটি বিলুপ্ত, নির্বাচন কমিশন গঠন রূপসায় জুলাই শহিদের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে রূপসায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত।  জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণা  বিএনপি সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবে – গাজীপুরে রথযাত্রা- রথমেলার উদ্বোধনে – এমপি এম মঞ্জুরুল করিম রনি কালিহাতীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ১ আরিফ বেকারিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালীতে সেতু জুয়েলার্সে রাতের অন্ধকারে দুধর্ষ চুরি, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে

কুমিল্লার গোমতী হাসপাতালে ও ডা: শাহিদা আক্তার রাখীর চিকিৎসা সেবার নামে অরাজকতার অভিযোগ।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ রেজাউল করিম (ব্যুরোচীফ কুমিল্লা)

 

 

নানা অনিয়মে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে কুমিল্লার গোমতী হসপিটাল। সম্প্রতি সদর দক্ষিণের এক প্রসূতির নরমাল ডেলিভারীতে চাপ সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক চিকিৎসা বিল গ্রহনের ফলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৬ ই জুলাই কুমিল্লার গোমতী হসপিটালে এই ঘটনা ঘটে। রিপা নামের ঐ প্রসূতির পরিবারের দাবী সিজার না করিয়ে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করান প্রসূতিকে, যেখানে একই পরিবারের অন্য এক প্রসূতির নরমাল ডেলিভারীতে ১৭ হাজার টাকা বিল দিতে হয়েছে সেখানে রিপা নামের ঐ প্রসূতির বেলায় তা ৫৭ হাজার টাকার বিল দেখানো হয়েছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায় রিপা প্রায় ৯ মাস ধরে গোমতী হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা: শাহিদা আক্তার রাখি এর অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, প্রসূতির শারীরিক অবস্থাও ছিলো স্বাভাবিক। এবং স্বাভাবিক অবস্থাতেই তাকে ১৬ ই জুলাই রাতে প্রসব করানো হয়, ১২ ঘন্টার ব্যবধানে ১৭ই জুলাই সকালেই প্রসূতির বিল ৫৭ হাজার টাকা দেখে হতবাক তার পরিবারের লোকজন। যেখানে সিজার অপারেশন করে ডেলিভারীতে সকল চার্জ সংযুক্ত করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সম্পন্ন করা যায় সেখানে স্বাভাবিক প্রসবে ৫৭ হাজার টাকা বিল দেখে বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। অবশেষে বাধ্য হয়ে সারাদিন শেষে অর্থের যোগান সম্পন্ন করে অবশেষে রোগীকে ছাড় করা হয়।

 

 

হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত বিল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৫৭৬৬৭ টাকা বিলেের মধ্যে ঔষধ ক্রয় বাবদ ৭২৬৭ টাকা প্রসূতির বিল এ সংযুক্ত করা হলেও উক্ত ঔষধ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করেনি। কাগজ পত্র যাচাই করে দেখা যায় ঔষধ এর সকল খরচ আলাদাভাবে প্রসূতির পরিবার বহন করেছে পাশাপাশি ডাঃ সাহিদা আক্তার রাখি নিজেই ৪০ হাজার টাকার বিল নিয়েছেন।

 

 

বিষয়টিকে নিয়ে হাসপাতালে সমালোচনার সৃষ্টি হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উল্লেখযোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানকে না পেয়ে তাহার মুঠোফোনে তাকে কল করা হলে তিনি কল ধরেন নি, এবং গোমতী হাসপাতালের ৪র্থ তলার তাহার নির্ধারিত চেম্বারে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। রিসিপশানে কথা বলেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি তাদের একটাই কথা ডাক্তার বিল করেছে এতে তাদের কিছু করার নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews