সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

কুমিল্লার গোমতী হাসপাতালে ও ডা: শাহিদা আক্তার রাখীর চিকিৎসা সেবার নামে অরাজকতার অভিযোগ।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ রেজাউল করিম (ব্যুরোচীফ কুমিল্লা)

 

 

নানা অনিয়মে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে কুমিল্লার গোমতী হসপিটাল। সম্প্রতি সদর দক্ষিণের এক প্রসূতির নরমাল ডেলিভারীতে চাপ সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক চিকিৎসা বিল গ্রহনের ফলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৬ ই জুলাই কুমিল্লার গোমতী হসপিটালে এই ঘটনা ঘটে। রিপা নামের ঐ প্রসূতির পরিবারের দাবী সিজার না করিয়ে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করান প্রসূতিকে, যেখানে একই পরিবারের অন্য এক প্রসূতির নরমাল ডেলিভারীতে ১৭ হাজার টাকা বিল দিতে হয়েছে সেখানে রিপা নামের ঐ প্রসূতির বেলায় তা ৫৭ হাজার টাকার বিল দেখানো হয়েছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায় রিপা প্রায় ৯ মাস ধরে গোমতী হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা: শাহিদা আক্তার রাখি এর অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, প্রসূতির শারীরিক অবস্থাও ছিলো স্বাভাবিক। এবং স্বাভাবিক অবস্থাতেই তাকে ১৬ ই জুলাই রাতে প্রসব করানো হয়, ১২ ঘন্টার ব্যবধানে ১৭ই জুলাই সকালেই প্রসূতির বিল ৫৭ হাজার টাকা দেখে হতবাক তার পরিবারের লোকজন। যেখানে সিজার অপারেশন করে ডেলিভারীতে সকল চার্জ সংযুক্ত করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সম্পন্ন করা যায় সেখানে স্বাভাবিক প্রসবে ৫৭ হাজার টাকা বিল দেখে বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। অবশেষে বাধ্য হয়ে সারাদিন শেষে অর্থের যোগান সম্পন্ন করে অবশেষে রোগীকে ছাড় করা হয়।

 

 

হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত বিল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৫৭৬৬৭ টাকা বিলেের মধ্যে ঔষধ ক্রয় বাবদ ৭২৬৭ টাকা প্রসূতির বিল এ সংযুক্ত করা হলেও উক্ত ঔষধ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করেনি। কাগজ পত্র যাচাই করে দেখা যায় ঔষধ এর সকল খরচ আলাদাভাবে প্রসূতির পরিবার বহন করেছে পাশাপাশি ডাঃ সাহিদা আক্তার রাখি নিজেই ৪০ হাজার টাকার বিল নিয়েছেন।

 

 

বিষয়টিকে নিয়ে হাসপাতালে সমালোচনার সৃষ্টি হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উল্লেখযোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানকে না পেয়ে তাহার মুঠোফোনে তাকে কল করা হলে তিনি কল ধরেন নি, এবং গোমতী হাসপাতালের ৪র্থ তলার তাহার নির্ধারিত চেম্বারে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। রিসিপশানে কথা বলেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি তাদের একটাই কথা ডাক্তার বিল করেছে এতে তাদের কিছু করার নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews