বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিহাতীতে যুবদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান তানোরে চাউল ডিলারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ! সিংড়ায় ২০ বছরের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে প্রাচীর, অবরুদ্ধ ৭ পরিবার আধুনিকতা, আরাম ও স্টাইলে স্টেপ ফুটওয়্যারের নতুন পণ্য উন্মোচন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে একটি মাছের ঘেরে অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মুন্সিগঞ্জে আ.লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে  আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি ফরিদপুরে সওজের জমি ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান আদর্শ মানবসেবা সংস্থার পরিচালক আফরোজা আকবর আউলিয়াপুর নূরে মদিনা কমপ্লেক্সে ফলের চারাগাছ বিতরণ বন্যার আগেই সতর্ক হবে মানুষ, উলিপুরে প্রভাতী প্রকল্পের সভা

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে  আবেদন গ্রহণে অনীহা; তদন্তের দাবি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ আনেসুর রহমান শেলী

 

:

 

টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী বিজন সাহার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় ‘ ক’ ফরমে তথ্য চেয়ে করা লিখিত আবেদন গ্রহণ না করা, সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং দাপ্তরিক কাজে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহীতা ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় একটি লিখিত আবেদন নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে গেলে সেটি গ্রহণের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর পক্ষ থেকে নানা ধরনের অনীহা দেখানো হয়। একপর্যায়ে আবেদনটি গ্রহণ না করেই সেবা গ্রহীতাকে ফিরিয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে।

 

শুধু তাই নয়, এ সময় সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অশোভন, অসৌজন্যমূলক ও আপত্তিকর আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

 

তথ্য অধিকার আইন নাগরিকদের সরকারি দপ্তরের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারির প্রশ্ন—আইনের আওতায় কোনো নাগরিক লিখিত আবেদন নিয়ে এলে সেটি গ্রহণ ও বিধি অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের পরিবর্তে যদি তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার বাস্তবে কতটা নিশ্চিত হচ্ছে?

 

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর আচরণ নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় পুরো দপ্তরের সেবার মান ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

অভিযোগকারী ভূক্তভোগী বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইনে করা আবেদনটি কেন গ্রহণ করা হয়নি, আবেদন গ্রহণের দায়িত্ব কার ছিল এবং সেবা গ্রহীতার সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়েছে—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

 

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে ,বিজন সাহা তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল কালিহাতীতে চাকুরী করাকালীন সময়ের বিভিন্ন সেবাগ্রহিতার সাথে অহরহ অসদাচরন করেছেন।

 

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে টাঙ্গাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভূঞার        ০১৭১২৮২১৫৮৮ নম্বরের  মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews