
মো.হাইউল উদ্দিন খান,গাজীপুর প্রতিনিধি
শহীদ রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরের কালীগঞ্জে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে স্মরণসভা, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।
গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের উদ্যোগে কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের বর্তুল গ্রামে তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এ কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই পূবাইল ও কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঢল নামে।
শনিবার (৩০ মে) দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে হাজারো নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বর্তুল গ্রামে সমবেত হন। নেতাকর্মীদের পদচারণায় পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উত্তরগাঁও জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা নূরুল ইসলাম। তিনি দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম রূপকার। মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানায়ক হিসেবে তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় বহুদলীয় গণতন্ত্র, গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি স্থাপন করেন।
পূবাইল থানা এলাকা থেকে আগত স্থানীয় নেতাকর্মী আসাদ হোসেন খান বুলবুল,আফজাল হোসেন,জাকির হোসেন,মামুন মিয়া,আরিফ হোসেন ও আল আমিন বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ আজও দেশের মানুষের মাঝে প্রাসঙ্গিক। তার শাহাদাতবার্ষিকীতে নতুন প্রজন্মকে সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এদিকে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের নিজ বাড়িতে আয়োজিত এ কর্মসূচি পূবাইল ও কালীগঞ্জ অঞ্চলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শাহাদাতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক স্মরণীয় মিলনমেলায়। দিনভর নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বর্তুল গ্রামের পুরো পরিবেশ ছিল শোক, শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের প্রত্যয়ে উদ্দীপ্ত।