রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসা প্রেসক্লাবে চায়ের আড্ডায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম,গুরুত্ব পেল সুপেয় পানি ও জলাবদ্ধতা নিরসন ।  জাইমা রহমানের জন্মদিনে শিবগঞ্জে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, সাইকেল পেলেন ৫৪৮ ছাত্রী ইউটিলিটি সার্ভিস বন্ধের অনুরোধ রাজউকের। মিরপুরে নকশা ছাড়াই ৪ তলা ভবন নির্মাণ, ৭ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত নোটিশ জারি কয়রায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ  মানিকগঞ্জে২৫ বছরের সংসার ফেলে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছেলের সাথে মুসলিম পরিবারের এক নারী চলে গেছে      জাইমা রহমানের জন্মদিনে বগুড়ায় দুই হাজার অসহায়কে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা আমরাও চাই হাসিনা দেশে ফিরুক, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়” : মীর শাহে আলম টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের কমিটি গঠিত  শ্রীপুরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পূজা মন্ডপে একজনকে পিটিয়ে গুরুতর জকম। 

অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ এসআই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

 

ওসমান গনি

স্টাফ রিপোর্টার

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানায় কর্মরত অবস্থায় সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে থানায় এনে পরিকল্পিতভাবে মাদক মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ইতিমধ্যে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিজ্ঞ চীফ জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজদিখান) আমলী আদালতে মামলা করেছেন। মামলা নং ২১৪/২০২৫। মামলা সুত্রে জানা গেছে গত (২ এপ্রিল) ২০২৬ইং সকালে সিরাজদিখান বাজারে তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একদল লোক এসে খাবার হোটেল ব্যবসায়ী শাহাজাহান কে তুলে নিয়ে যায় উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের লতব্দী গ্রামে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লতব্দী গ্রামের মোক্তার হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে একটি সঙ্গবদ্ধ দল অপহরণের কোনো প্রমান ছাড়াই ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে খাবার হোটেলে থাকা ৫লক্ষ ২০ হাজার টাকাসহ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে আটকে রেখে মারপিট করে। সন্ধ্যার পর সিরাজদিখান থানার কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামান শিকদার কে ফোন করে নিয়ে যায়। সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামান শিকদার ব্যবসায়ী কে থানায় নিয়ে আসে।

 

মোক্তার হোসেন মাস্টার থানায় এসে তার নাতনিকে অপহরণের চেষ্টার কথা বলে মামলা দেওয়ার কথা জানান। কিন্তু এসআই কামরুজ্জামান শিকদার তার মামলা না নিয়ে ব্যবসায়ী শাজাহান কে গত (৩ এপ্রিল) ২০২৫ তারিখে গাঁজার মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করেন। ১৮ দিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আসেন ব্যবসায়ী শাজাহান। পরে মোক্তার হোসেন মাস্টার সহ ১০ জন কে আসামী করে আরো অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে চীফ জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিরাজদিখান) আমলী আদালতে মামলা করেছেন। সেই মামলা এখন পিবিআই এক কর্মকর্তা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এবিষয়ে মোক্তার হোসেন বলেন আমিসহ অনেকেই সিরাজদিখান থানায় গিয়ে মামলা নেওয়ার কথা বলেছি কিন্তু সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) কামরুজ্জামান শিকদার ও তৎকালীন থানার ওসি আমার কোনো অভিযোগ বা মামলা নেয় নাই। তার পর শাজাহান কে মাদক মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছেন। আদালত থেকে জামিনে এসে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে শাজাহান।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাজাহান বলেন মোক্তার হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকাসহ মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে তুলে নিয়ে মারধর করছে। পরে রাতে থানার পুলিশ এসআই কামরুজ্জামান শিকদার আমাকে থানায় নিয়ে আসে পরের দিন ৩০০ গ্রাম গাজার মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।এ অত্যাচার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার জীবনটাকে শেষ করে দিয়েছে আমি তাদের বিচার চাই।

এবিষয়ে এসআই কামরুজ্জামান শিকদারের সাথে জানতে চাইলে তিনি সঠিক কোনো বক্তব্য দেন নাই।

এবিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন সঠিক তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews