
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ জাকির হোসেন-টুটুল।
রাজশাহীর তানোরে ফসলি জমি জবরদখল ও পিটিয়ে নারীসহ ৬ জনকে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০-জুলাই) সকালে কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) বাউরি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) বংশীধরপুর মৌজার ২৩৪ নম্বর দাগে ৭১ শতক
ফসলি জমি রয়েছে। এসব জমির মালিক কেফাতুল্লাহ মন্ডল। তার এক পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তানের মধ্যে পুত্র সন্তান মারা গেছে, ৪ কন্যা বেঁচে আছে। উত্তরাধিকার সুত্রে এসব জমির মালিক এখন তার ৪ কন্যা। কন্যাদের নামে জমির নামজারি ও হালনাগাদ খাজনা চলমান রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবত এসব জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী (বাউরি গ্রামের) মৃত; ময়েজ উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী (মিজানুর রহমান) এসব জমি তার নিজের বলে দাবি করে জবরদখলের চেস্টা করে আসছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, (সোমবার) (২০- জুলাই) সকালে কেফাতুল্লাহর ৪ কন্যা এসব জমি চাষাবাদ করতে যায়। এসময় প্রভাবশালী মিজানুর রহমান ও তার সহযোগী আয়ুব আলী, আব্দুল আলিম সহ প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ভাড়াটিয়া গুন্ডা, বল্লম, রাম দা, হাসুয়া, লোহার রড ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের ৪ বোনের ওপর হামলা করে আহত করে, জমি থেকে বিতাড়িত করে দেয়। তাদের হামলায় নারীসহ ৬ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত এছনেয়ারা বিবি (৫৫), সাইরা বিবি (৪৫), তারা
বিবি (৩৫) ও ওবিজান বিবি (৪৫) তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যেরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান মিজান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা কেফাতুল্লাহ মন্ডলের নিকট থেকে জমি ক্রয় করে নিয়েছেন, আর মারপিটের অভিযোগ সঠিক নয়।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, তাদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, এখানো তারা থানায় অভিযোগ দায়ের করে নাই।
তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।